বেথলেহেম, পশ্চিম তটে: প্রায় দুই বছর পর, গাজা যুদ্ধের প্রভাব থেকে বের হয়ে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় শহর বেথলেহেমে আবারও পূর্ণাঙ্গ বড়দিন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই শহরটি যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান হিসেবেও খ্যাত—বিশ্বের ক্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে এটি এক পবিত্র স্থান। যুদ্ধ ও অস্থিরতার কারণে গত দু’বছর শান্তির ছোঁয়া না থাকা সত্ত্বেও এবার তারুণ্য ও আনন্দের পরিবেশ ফিরে এসেছে।
বেশ কয়েকশ জন মানুষ ম্যানজার স্কোয়ার ও তার আশপাশে জমায়েত হয়েছে, যেখানে তারা খ্রিস্টানদের ঐতিহ্যবাহী ক্রিসমাস ক্যারল, ব্যান্ড মিছিল ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেছে। The Times of Israel (source)
একাডেমিক তথ্য অনুযায়ী, বেথলেহেম শহরের কেন্দ্রস্থল ম্যানজার স্কোয়ারই সব বড়দিন (Christmas) ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর প্রাণকেন্দ্র, যেখানে ক্রিসমাস ট্রি, গীর্জা ও গীত-সঙ্গীতের ধ্বনি থেমে যায় না।
১৭ বছর বয়সী মিলাগ্রোস আনস্তাস বলেন,
“আজ আমরা যে আনন্দ অনুভব করছি তা যুদ্ধের কারণে গত দু’বছর অনুভব করা যায়নি। আজ বড়দিনে সম্পূর্ণ উৎসব ফিরে এসেছে।”
বড়দিনের উদযাপনে নেতৃস্থানীয় ধর্মীয় নেতৃত্ব, যেমন জেরুসালেমের ল্যাটিন প্যাট্রিয়ার্ক Cardinal Pierbattista Pizzaballa বলেছেন—
“এ বছর আমরা এমন এক বড়দিন চাই, যা আলোয় ভরা—কারণ গত দুই বছর অন্ধকারে কাটেছে।” The Times of Israel
তিনি পাশাপাশি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেছে যে—
“হঠাৎ সবকিছুই ভগ্ন, কিন্তু মানুষ জীবনের ইচ্ছাকে ধরে রেখেছে, আর এটাই আমাদের মধ্যে উৎসব করার শক্তি দিয়েছে।” The Times of Israel
এই বড়দিন উদযাপনের সময় পোপ Leo XIV বয়ান করেছেন বিশ্বজুড়ে শান্তির জন্য প্রার্থনা ও মানবিক সহানুভূতির বার্তা, যেখানে তিনি গাজার মতো সংকটাপন্ন এলাকায় বাসী মানুষের কষ্টের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং সহানুভূতির আহ্বান জানিয়েছেন।
🔹 বেথলেহেমে সম্পূর্ণ বড়দিন উৎসব ২০২৫-এ প্রথমবারের মতো পালিত হলো এর আগের যুদ্ধের ছায়া কাটিয়ে। The Times of Israel
🔹 মানুষ আনন্দে ভাসছে, মিছিল ও সঙ্গীত চলছে, বড় ক্রিসমাস ট্রির আলো ঝলমল করছে।
🔹 তবুও অস্থিতিশীল নিরাপত্তা ও মানবিক সংকট রয়ে গেছে—যা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
এই বড়দিন উদযাপন শুধুমাত্র ধর্মীয় আনন্দের প্রতীক নয়, বরঞ্চ এটি মানবিক সহমর্মিতা, শান্তি ও ঐক্যের বার্তাও বহন করছে — এমনই আশা করে বিশ্ববাসী।







